সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট
গেজেট প্রকাশ: তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ, ভেঙে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ পেলেন আব্দুস সাত্তার মির্জা আব্বাস-নজরুল-রিজভীসহ ১০ জনকে উপদেষ্টা নিয়োগ অবকাঠামো নয়, খেলোয়াড়দের অগ্রাধিকার দেবেন আমিনুল নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন যারা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার ৪১ বছর খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, প্রজ্ঞাপন জারি তার আপসহীন নেতৃত্বে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে- প্রধান উপদেষ্টা বুধবারের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা স্থগিত, নতুন তারিখ ৫ জানুয়ারি

প্রথম কর্মদিবসেই অভিবাসন বিষয়ে প্রস্তাব রাখতে যাচ্ছেন বাইডেন

রিপোর্টারের নাম / ২৭৮ টাইম ভিউ
হালনাগাদ : বুধবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২১

নব-নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বুধবার (২০ জানুয়ারি) তার প্রথম কর্ম দিবসেই নতুন অভিবাসন আইনের প্রস্তাব আনতে যাচ্ছেন যা বাস্তবায়িত হলে দেশটিতে বসবাসরত কোটি কোটি অনিবন্ধিত অভিবাসীর আট বছরের মধ্যে বৈধ হওয়ার পথ খুলবে।

বাইডেনের ওই প্রস্তাবের আওতায় যারা শৈশবে অনিবন্ধিত অভিবাসী হিসেবে দেশটিতে ঢুকেছিল তাদের ফেরত পাঠানোর পরিবর্তে পুনরায় বৈধভাবে স্থায়ী আবাসের জন্য আবেদন করতে অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানায় বাইডেনের ট্রানজিশন কর্মকর্তারা এমনটি জানান। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

যদি কংগ্রেসে পাস হয় তাহলে আইনটি আমেরিকান অভিবাসন ব্যবস্থাকে নতুনভাবে রূপান্তরিত করবে, এটি বিশ্বের অন্যান্য অংশের লোকদের কাছে আরও উদার করে তুলবে। পাশাপাশি, এর ফলে ২০১৫ সালে নির্বাচনের পর ট্রাম্প অভিবাসীদের নিয়ে ভয়ের যে বার্তা দিয়েছিল তা দূর হবে।

ট্রাম্পের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের যেসব নীতি বদলে ফেলা হয়েছিল, সেগুলো আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি করোনাভাইরাস মহামারী শুরুর আগে থেকেই দিয়ে আসছিলেন বাইডেন।

২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অভিবাসনের নিয়ম বদলাতে তৎপর হন রিপাবলিকান ট্রাম্প। সে সময় সাতটি মুসলিম প্রধান দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার পথ বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে মেট ১৩টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র সফরে কড়াকড়ি চলছে।

যদিও এ অভিবাসন বিলটি পাস হতে অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হতে পারে। কারণ, ডেমোক্রাটরা কংগ্রেসের উভয় চেম্বার অল্পই নিয়ন্ত্রণ করে। এক্ষেত্রে বাইডেনের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা প্রয়োজন হবে, বিশেষত সিনেটে, যেখানে আইনটি পাস হতে ৬০ ভোটের প্রয়োজন। অথচ ডেমোক্রাটরা ৫০ আসনে অধিকারী সেখানে। সুতরাং এ আদেশকে আইনে পরিণত করতে গেলে প্রেসিডেন্টকে আরো ১০ রিপাবলিকানদের সমর্থন দরকার হবে সিনেটে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর