শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট
গেজেট প্রকাশ: তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ, ভেঙে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ পেলেন আব্দুস সাত্তার মির্জা আব্বাস-নজরুল-রিজভীসহ ১০ জনকে উপদেষ্টা নিয়োগ অবকাঠামো নয়, খেলোয়াড়দের অগ্রাধিকার দেবেন আমিনুল নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন যারা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার ৪১ বছর খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, প্রজ্ঞাপন জারি তার আপসহীন নেতৃত্বে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে- প্রধান উপদেষ্টা বুধবারের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা স্থগিত, নতুন তারিখ ৫ জানুয়ারি

অভিনেতা ফিরোজের মৃত্যুতে শোকাহত ‘ইত্যাদি’ পরিবার

রিপোর্টারের নাম / ২৫২ টাইম ভিউ
হালনাগাদ : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

না ফেরার দেশে চলে গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা কে এস ফিরোজ। আজ বুধবার সকাল ৬টা ২০ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন বাংলা নাটক ও সিনেমার জনপ্রিয় এই মুখ। টেলিভিশন ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র মাধ্যমে  এই গুণী অভিনেতা জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। তার মৃত্যুতে শোকাহত পুরা শোবিজ মহল।

বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানটির শুরুর দিক থেকে অভিনয় করেছিলেন কে এস ফিরোজ। তার এমন চলে যাওয়া মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে বলে জানান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক, পরিচালক, লেখক ও প্রযোজক হানিফ সংকেত।

হানিফ সংকেত বলেন, ফিরোজ ভাই হঠাৎ করেই চলে গেলেন। এই শুনলাম তিনি অসুস্থ, সকালে উঠেই শুনি তিনি নেই। তার এই চলে যাওয়া মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। আমাদের পুরো ‘ইত্যাদি’ পরিবার শোকাহত। আশির দশক থেকে আমাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ফিরোজ ভাই। তাঁকে ডাকলেই পাওয়া যেত। ফিরোজ ভাই আর ‘ইত্যাদি’ করবেন না, মানতে কষ্ট হচ্ছে।

হানিফ সংকেত পরিচালিত প্রায় সব নাটকেই দেখা গেছে কে এস ফিরোজকে। এ প্রসঙ্গে হানিফ সংকেত বলেন, ‘মারা যাওয়ার পর সবাই গতানুগতিকভাবে বলে, ভালো মানুষ ছিলেন। সে জন্য বলছি না, তিনি আসলেই একজন গুণী মানুষ ছিলেন। তাঁকে শুটিংয়ে ৯টায় ডাকলে তিনি ১০ মিনিট আগে এসে বসে থাকতেন। যাওয়ার জন্য তাড়া দিতেন না। দিনে হয়তো তার তিন মিনিটের শুটিং আছে, তিনি কল টাইমে এসে বসে থাকতেন। বলতেন, আমার তাড়া নেই; যখন সুবিধা হয় আমার অংশের শুট করবেন।’

অভিনেতা কে এস ফিরোজকে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী বুধবার বাদ জোহর বনানী সেনানিবাস কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম।

তিনি জানিয়েছেন, ‘ফিরোজ ভাই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে করোনার আগে সিএমএইচে ভর্তি ছিলেন। তখন সুস্থ হয়ে বাসায় ও ফিরে যান। গত তিনদিন আগে আবারও এ সমস্যায় ভুগে সিএমএইচে ভর্তি হন। আজকে সকালে না ফেরার দেশে চলে যান।’

কে এস ফিরোজের অভিনয় জীবনের শুরুটা হয়েছিল মঞ্চনাটক দিয়ে। নাট্যদল ‘থিয়েটার’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে অভিনয় শুরু করেন তিনি। টিভিপর্দায় প্রথম অভিনয় করেন ফখরুজ্জামানের রচনা ও জামান আলী খানের প্রযোজনায় ‘দীপ তবুও জ্বলে’ নাটকে। টেলিভিশনে কে এস ফিরোজের প্রথম আলোচিত নাটক জিয়া আনসারী প্রযোজিত ‘প্রতিশ্রুতি’।

বাংলা নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও ছিল কে এস ফিরোজের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি। কে এস ফিরোজ অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘লাওয়ারিশ’। কে এস ফিরোজ ১৯৬৭ সালে সেনাবাহিনীতে কমিশন পদে চাকরি শুরু করেন। ১৯৭৭ সালে মেজর পদে চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর