মুলাদীতে যৌতুক মামলা তুলে নিতে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাবুগঞ্জ উপজেলার ফরিদ উদ্দীন মল্লিকের ছেলে সাইফুল ইসলাম সোহাগ তার স্ত্রী নার্গিস বেগমকে মারধর করেন। গত শুক্রবার বেলা ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

নার্গিস বেগম মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের বড়ইয়া কাজিরচর গ্রামের মৃত তোফায়েল হাওলাদারের মেয়ে। গত মার্চ মাসে সোহাগের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।

নার্গিস বেগম জানান, বিয়ের পর থেকে সোহাগ বিভিন্ন সময় সোয়া লাখ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ ২ লাখ টাকা যৌতুক নেন। গত জুলাই মাসে সোহাগ ইয়াবা ব্যবসার জন্য তাঁর কাছে আবারও ২ লাখ টাকা চান। তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করলে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। ওই ঘটনায় নার্গিস বেগম বাদী হয়ে ১৫ জুলাই বরিশাল নারী নির্যাতন দমন আদালতে মামলা করেন। পরবর্তীতে নার্গিস বেগম ঢাকার আশুয়ালিয়া জামগরা এলাকায় ভার্চুয়াল পোশাক কারখানায় কাজ শুরু করেন।

সাইফুল ইসলাম সোহাগ ঢাকায় গিয়ে তাঁর স্ত্রীকে মামলা তুলে নিতে চাপ দেন। কিন্তু স্ত্রী মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করেন। গত শুক্রবার বেলা ১টার দিকে সোহাগ সুকৌশলে স্ত্রীকে আশুলিয়ার জলপই বাগান এলাকায় তাঁর বোনের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে সোহাগ ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে আটকে রেখে মারধর করে হত্যাচেষ্টা করেন। ওই সময় তাঁর কাছ থেকে সাদা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেন তাঁরা।

স্থানীয়দের সহায়তায় নার্গিস বেগম সেখানে থেকে ছাড়া পেয়ে রাতেই লঞ্চে বাড়ি চলে আসেন। এই ঘটনায় তিনি বরিশাল আদালতে আরও একটি মামলা করবেন বলে জানান।

এ ব্যাপারে সাইফুল ইসলাম সোহাগের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here