বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট
গেজেট প্রকাশ: তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ, ভেঙে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ পেলেন আব্দুস সাত্তার মির্জা আব্বাস-নজরুল-রিজভীসহ ১০ জনকে উপদেষ্টা নিয়োগ অবকাঠামো নয়, খেলোয়াড়দের অগ্রাধিকার দেবেন আমিনুল নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন যারা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার ৪১ বছর খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, প্রজ্ঞাপন জারি তার আপসহীন নেতৃত্বে গণতন্ত্রহীন অবস্থা থেকে জাতি বারবার মুক্ত হয়েছে- প্রধান উপদেষ্টা বুধবারের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা স্থগিত, নতুন তারিখ ৫ জানুয়ারি

কালরাত স্মরণে ১ মিনিট অন্ধকার থাকল দেশ

রিপোর্টারের নাম / ২৪৮ টাইম ভিউ
হালনাগাদ : শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০২১

২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস স্মরণে সরকারি আদেশের অংশ হিসেবে সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাকআউট (বাতি নিভিয়ে অন্ধকার) কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত এই ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি পালন করা হয়।

গণহত্যা দিবস স্মরণে রাত ৯টায় স্বাধীনতা স্তম্ভের আলো নিভে যায়। এ সময় মুহূর্তেই বিভিন্ন স্থানের সব আলো নিভে যায়। শাহবাগের ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অমর একুশে বইমেলায়ও এ সময় বাতি নেভানো হয়।

২৫ মার্চ রাতের আঁধারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ পুরো ঢাকাজুড়ে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। সেই রাত স্মরণ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, শহীদ মিনার অঞ্চলসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে এ সময় একইসঙ্গে ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় বিভিন্ন স্থানে মাইকে বাজানো হয় গোলাগুলির শব্দ ও বিপদগ্রস্ত মানুষের আর্তনাদ। এছাড়াও সরকারের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতীকী ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি পালন করা হয়।

এর আগে সরকারি এক বিজ্ঞপ্তিতে গণহত্যা দিবসে এক মিনিট ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। একইসঙ্গে ২৫ মার্চ রাতে সব ধরনের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর হত্যাযজ্ঞের দিনটিকে ২০১৭ সালে জাতীয় সংসদে পাশ করার মাধ্যমে জাতীয়ভাবে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

১৯৭১ সালের এই রাতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে ঘুমন্ত, নিরীহ বাঙালিদের ওপর নির্মমভাবে হত্যাযজ্ঞ চালায় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী। ভয়াল সেই রাতকে স্মরণ করে সরকারিভাবে ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর