Category: সারাদেশ

  • গোপালগঞ্জে ট্রাকচাপায় তরুণ নিহত

    গোপালগঞ্জে ট্রাকচাপায় তরুণ নিহত

    গোপালগঞ্জে ট্রাকচাপায় মৃদুল শেখ (৩২) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন একজন।

     

    বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে সদর উপজেলার ভেড়ারবাজার এলাকায় গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

     

    নিহত মৃদুল শেখ একই উপজেলার খাটিয়াগড় উত্তরপাড়া গ্রামের ফেলান শেখের ছেলে। গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

     

    তিনি বলেন, “সদর উপজেলার উলপুর থেকে অটোরিকশাযোগে গোপালগঞ্জ শহরে যাচ্ছিলেন মৃদুল। ভেড়ারবাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার যাত্রী মৃদুল শেখ নিহত ও চালক সামিউল মোল্লা আহত হন।”

  • গাজীপুরে ৫ খুন: মেহেরপুরে আসামি ফোরকানের মোবাইল ফোন উদ্ধার

    গাজীপুরে ৫ খুন: মেহেরপুরে আসামি ফোরকানের মোবাইল ফোন উদ্ধার

    গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় স্ত্রী, সন্তান, শ্যালকসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যার আসামি ফোরকানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন মেহেরপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ফোরকানের বেঁচে থাকা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।

     

    বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন।

     

     

    গত ৮ মে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্ৰামে সিঙ্গাপুর প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে তার ভাড়াটিয়া ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন খানম (৩০), মাদ্রাসার পড়ুয়া তাদের বড় মেয়ে মীম খানম (১৫), মেজ মেয়ে উম্মে হাবিবা (৮) ও ছোট মেয়ে ফারিয়া (২) এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়াকে (২২) হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জের পাইককান্দি এলাকার বাসিন্দা ও নিহত শারমিনের বাবা শাহাদাৎ মোল্লা কাপাসিয়া থানায় ফোরকানকে প্রধান আসামি হত্যা মামলা করেন।

     

    পুলিশ সুপার বলেন, পাঁচ খুনের পরপরই প্রধান আসামি ফোরকানকে গ্রেপ্তারের জন্য  তিনটি দল অভিযানে নামে। একটি দল গোপালগঞ্জে ফোরকানের নিজ এলাকায় এবং অপর একটি দল বেনাপোলে যায়, যাতে তিনি সীমান্ত পার হতে না পারেন। এরপর মেহেরপুর জেলায় এক বাসের হেলপারের কাছ থেকে ফোরকানের মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ওই হেলপার জানান, তিনি মোবাইলটি পদ্মা সেতু থেকে পেয়েছেন। এরপর পুলিশের একটি দল পদ্মা সেতুতে গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে। ফুটেজে দেখা যায়, প্রাইভেটকার থেকে এক ব্যক্তি নামছেন। গাড়ি থেকে নেমে তিনি হাতের ব্যাগ ও মোবাইলটি ফুটপাতের ওপর রাখেন। এরপর দেড় থেকে দুই মিনিট অপেক্ষা করে রেলিংয়ের ওপর উঠে নদীতে লাফ দেন।

    তিনি আরো বলেন, সিসিটিভি ফুটেছে ওই ব্যক্তির মুখ চেনা যায় না। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য মামলার বাদী (নিহত শারমিনের বাবা) এবং গোপালগঞ্জে ফোরকানের ভাই জব্বারসহ স্থানীয় কয়েকজনকে ভিডিওটি দেখানো হয়। তার পরিবার ধারণা করছে, নদীতে লাফ দেওয়া ব্যক্তি ফোরকান হতে পারে, কিন্তু নিশ্চিত নয়।

     

    পুলিশ সুপার আরো জানান, প্রাইভেটকারটি ঢাকার পল্টনের একটি রেন্ট-এ-কার থেকে ভাড়া করেন ফোরকান। এক আত্মীয় মারা মারা গেছেন বলে প্রাইভেটকার ভাড়া করেন। তবে ছবি দেখালেও ফোরকানকে চিনতে পারেননি তারা।

  • নিখোঁজ স্কুলছাত্র সৌরভ দাস শান কে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

    নিখোঁজ স্কুলছাত্র সৌরভ দাস শান কে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল নগরীর ভাটিখানা এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া কালেক্টরেট স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সৌরভ দাস শানকে (১৩) চারদিন পর কক্সবাজার থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

    জানা গেছে, গত ২ মে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মায়ের জন্য খিচুড়ি কিনতে বাসা থেকে বের হয় সৌরভ। বের হওয়ার সময় একটি বিকাশের দোকান থেকে আট হাজার টাকা উত্তোলন করে সে। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। ওই রাতেই তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি নগরীর একটি স্কুল মাঠ থেকে উদ্ধার করা হয়, যা অপরিচিত এক ব্যক্তি কুড়িয়ে পেয়েছিলেন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কাউনিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

    পরবর্তীতে ব্যাপক অনুসন্ধানের একপর্যায়ে বুধবার (৬ মে) রাত সাড়ে ৩টার দিকে কক্সবাজারের ঈদগাহ থানা পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় সৌরভকে উদ্ধার করে।

    পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, কিশোর সৌরভ ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে পরিচিত স্কোপোলামিন জাতীয় বিশেষ মাদকের প্রভাবে অপহরণের শিকার হতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
    চারদিনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার পর সৌরভকে ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছে তার পরিবার।

  • ঢাকাকে চাঁদাবাজ-মাদকমুক্ত করতে সাঁড়াশি অভিযান

    ঢাকাকে চাঁদাবাজ-মাদকমুক্ত করতে সাঁড়াশি অভিযান

    রাজধানীকে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও অনলাইন জুয়া চক্রমুক্ত করতে বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

     

    রবিবার (৩ মে) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।

     

    তিনি বলেন, “ঢাকা মহানগরী আমাদের সবার। এই শহরের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা, স্বস্তি ও শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রধান অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ১ মে  থেকে ডিএমপি মহানগরজুড়ে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান আরো জোরদার করা হয়েছে।”

     

    তিনি বলেন,“ সাম্প্রতিক সময়ে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্রের প্রদর্শন, অনলাইন জুয়া সংক্রান্ত অভিযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিএমপি তাৎক্ষণিকভাবে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ করে। আমাদের লক্ষ্য একটাই—অপরাধচক্রের মূল উৎপাটন, নাগরিক জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা এবং ঢাকাকে আরও নিরাপদ নগরীতে পরিণত করা।”

    তিনি জানান, চিহ্নিত অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান ও আকস্মিক ব্লক রেইড পরিচালনা গোয়েন্দা নজরদারী ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অপরাধীদের পালানোর পথ বন্ধ করা হচ্ছে।
    ভারপ্রাপ্ত ডিএমপি কমিশনার বলেন, “গত ৪৮ ঘণ্টার আমাদের উল্লেখযোগ্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৮ জন তালিকাভুক্ত এবং ৯৪ জন তালিকা বহির্ভূত চাঁদাবাজকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে চাঁদা আদায়ের খাতা, লেনদেনের তথ্য, ভিডিও ক্লিপ এবং অন্যান্য আলামত।এছাড়া, মাদক ও অস্ত্রবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং সক্রিয় মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একইসঙ্গে অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

     

    অনলাইন জুয়া পরিচালনাকারী ও ডিজিটাল প্রতারণায় জড়িত চক্রের সদস্যদের আটক করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “তাদের ব্যবহৃত মোবাইল, সার্ভার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া, এলাকাভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার, নাগরিকদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বসিলা ও কারওয়ান বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী ও অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।  এসব এলাকায় চাঁদাবাজি প্রতিরোধে বিশেষ মনিটরিং সেল কাজ করছে। বাজার ও জনবহুল স্থানে দৃশ্যমান পুলিশিং বৃদ্ধি করা হয়েছে, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অপরাধপ্রবণ নতুন এলাকা চিহ্নিত করে আরও পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নতুন সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং তথ্যভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
    তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্দেহজনক ব্যক্তি, চাঁদাবাজি, মাদক, জুয়া বা প্রতারণা সংক্রান্ত তথ্য নিকটস্থ থানা বা ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে জানাতে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।

     

    সংবাদ সম্মেলনে  ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস. এন. মো. নজরুল ইসলাম, ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম  উপস্থিত ছিলেন।

  • রোববার শুরু হচ্ছে ডিসি সম্মেলন, আলোচ্য বিষয় হিসেবে যা যা থাকছে

    রোববার শুরু হচ্ছে ডিসি সম্মেলন, আলোচ্য বিষয় হিসেবে যা যা থাকছে

    চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামীকাল রোববার (৩ মে)। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের ৪৯৮টি প্রস্তাব উত্থাপিত হবে।

    শনিবার (২ মে) সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির এ তথ্য জানান। এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।

    মো. হুমায়ুন কবির বলেন, এবারের সম্মেলন ৩ থেকে ৬ মে পর্যন্ত চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে; গত সম্মেলন ছিল তিন দিনব্যাপী। সম্মেলনের প্রধান প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো হলো- ভূমি ব্যবস্থাপনা; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন; স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম জোরদার করা; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম; স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাস্তবায়ন; সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি বাস্তবায়ন; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ই-গভর্ন্যান্স; শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণ; স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ; পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ রোধ; ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও সমন্বয়।

    সম্মেলন চলাকালে কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নির্দেশনা গ্রহণ ও মতবিনিময় করবেন বলে জানান তিনি।

    অতিরিক্ত সচিব বলেন, এছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সাথে কার্য-অধিবেশন রয়েছে।

    তিনি জানান, ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মোট ৩৪টি অধিবেশন ও কার্য-অধিবেশন হবে। এর মধ্যে কার্য-অধিবেশন ৩০টি; উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সদয় নির্দেশনা গ্রহণসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা ৩টি এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে মুক্ত আলোচনা ও বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভা ১টি।

    অতিরিক্ত সচিব আরও বলেন, কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে ৪৯৮টি প্রস্তাব কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এসব প্রস্তাবে জনসেবা ও স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ হ্রাস করা, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইন-কানুন বা বিধিমালা সংশোধন এবং জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ৪৪টি প্রস্তাব পাওয়া গেছে।

    তিনি জানান, ৩ মে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নির্দেশনা গ্রহণ, ৪ মে জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নির্দেশনা গ্রহণ এবং ৫ মে সুপ্রিম কোর্ট ভবনে প্রধান বিচারপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নির্দেশনা গ্রহণের সূচি রয়েছে।

    সম্মেলনের প্রত্যাশিত ফলাফলের বিষয়ে অতিরিক্ত সচিব বলেন, মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে জেলা প্রশাসকরা যে আইনগত, প্রশাসনিক, আর্থিক ও অন্যান্য চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন এবং স্ব স্ব জেলায় বিদ্যমান সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করেন—এসব বিষয়ে সম্মেলনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী, সিনিয়র সচিব ও সচিবদের উপস্থিতিতে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর পন্থা নির্ধারণ এবং সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগানোর কৌশল প্রণয়ন করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, এছাড়া মন্ত্রণালয় বা বিভাগগুলোর অনুসৃত নীতি-কৌশল, গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে জেলা প্রশাসকরা সম্যক ধারণা লাভ করবেন। একই সঙ্গে পর্যটন খাতের বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিসর বৃদ্ধি, সরকারের নীতি ও কর্মসূচির বাস্তবায়ন ত্বরান্বিতকরণ এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

    সম্মেলন শেষ হবে আগামী ৬ মে বুধবার।