Category: আন্তর্জাতিক

  • যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সংঘাত নিরসনে সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছে চীন: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সংঘাত নিরসনে সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছে চীন: ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) তাদের আলোচনার সময় চীনা নেতা শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছেন।

     

    ইরানের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং দেশটি ইরানের তেলের এক নম্বর ভোক্তা।

     

     

    দুই দিনের আলোচনার প্রথম দিনের পর রেকর্ড করা এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ফক্স নিউজের শন হ্যানিটিকে বলেন, “প্রেসিডেন্ট শি একটি চুক্তি হওয়া দেখতে চান। তিনি প্রস্তাবও দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি যদি কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি, তবে আমি সাহায্য করতে চাই’।”

     

    ট্রাম্প আরো বলেছেন, “তিনি হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে চান।”

    ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছিল, ট্রাম্প চীনকে চাপ দেবেন যেন তারা ইরানকে একটি শান্তি চুক্তি মেনে নিতে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে চাপ দেয়। এই প্রণালিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ যা যুদ্ধের কারণে মূলত বন্ধ রয়েছে।

     

    ট্রাম্প ও জিনপিংয়ের বৈঠকের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চীন এই বিষয়ে একমত হয়েছে যে প্রণালিটি ‘অবশ্যই খোলা রাখতে হবে’ এবং চীন এই প্রণালির সামরিকীকরণ ও শুল্ক আরোপের বিরোধী।

    এই বিষয়গুলো চীনের পূর্ববর্তী বিবৃতির সঙ্গে অনেকাংশেই মিলে যায়।

     

    এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বৃহস্পতিবার এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক পৃথক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চীনের সাহায্য চায়নি এবং ‘তাদের সাহায্য আমাদের প্রয়োজন নেই।’

  • শুভেন্দুর কাছে হেরে গেলেন মমতা

    শুভেন্দুর কাছে হেরে গেলেন মমতা

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি হেরে গেছেন। তিনি ভবানিপুর আসনে নির্বাচন করেছিলেন। সেখানে বিজেপি ও প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরেছেন তিনি।

    সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, শুভেন্দুর থেকে ১৫ হাজার ১১৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন মমতা ব্যানার্জি।

    এরআগে ২০২১ সালে নন্দিগ্রামে শুভেন্দুর কাছে হেরেছিলেন মমতা। এরপর ভবানিপুরে উপনির্বাচনে জয় পেয়ে বিধানসভার সদস্য ও পরবর্তীতে টানা তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হন।

    তবে তার দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিপর্যয় হওয়ায় এবার তার শাসনামলের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।

    পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের মধ্যে আজ ২৯৩টি আসনের ভোট গণনা হচ্ছে। একটি আসনে ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    যে ২৯৩টি আসনের ভোট গণনা হচ্ছে সেখানে ২০৪টি আসনে এগিয়ে আছে বিজেপি। অপরদিকে মাত্র ৮৪টি আসনে এগিয়ে তৃণমূল।

    ভবানিপুরের ২০ রাউন্ড ভোগ গণনার মধ্যে ১৯ রাউন্ডের গণনা শেষে শুভেন্দুর চেয়ে ৩ হাজার ৮০০ ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন মমতা। তখনই তার পরাজয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়। জিততে হলে ২০তম ও শেষ রাউন্ডে তাকে বড় চমক দেখাতে হতো। কিন্তু সর্বশেষ রাউন্ডে ব্যবধান আরও অনেক বাড়ে।

    বিজেপির বিরুদ্ধে একশরও বেশি আসন লুটের অভিযোগ মমতার

    বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি একশরও বেশি আসন লুট করেছে বলে অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এছাড়া তিনি ধাক্কা দেওয়া  মারারও অভিযোগ করেছেন।

    গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় সেখানে নির্বাচন হয়। আর আজ হয় ভোট গণনা। আজকের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০৫টি আসনে জয় পেতে যাচ্ছে। অপরদিকে তৃণমূল মাত্র ৮৪টি আসন পাচ্ছে।

    এরমধ্যেই ফলাফল কারচুপির অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

    কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, মমতা কালিঘাটে তার বাড়িতে চলে গেছেন। এরআগে সাখাওয়াত নামে একটি গণনা কেন্দ্রে আসেন তিনি। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় তাকে উদ্দেশ্য করে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়।

  • তামিলনাড়ু নির্বাচনে অনেকটা এগিয়ে থালাপতির দল

    তামিলনাড়ু নির্বাচনে অনেকটা এগিয়ে থালাপতির দল

    ভারতের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের চমক সৃষ্টি করেছেন দক্ষিণের জনপ্রিয় তারকা থালাপতি বিজয়। সবশেষ পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের ‘দ্রাভিদা মুনেত্রা কাজাগাম’ (ডিএমকে) জোটকে বড় ব্যবধানে পেছনে ফেলে এককভাবে শীর্ষে রয়েছে বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে)। 

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের ২৩৪টি আসনের মধ্যে বিজয় ও তার দল এখন পর্যন্ত ৮৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে এআইএডিএমকে জোট ৭৫টি আসনে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। কিন্তু বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে ক্ষমতাসীন ডিএমকে। গত নির্বাচনে ১৩৭টি আসনে জিতলেও এবার এখন পর্যন্ত তারা মাত্র ৫৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। উল্লেখ্য, তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের জন্য আইডিয়াল ফিগার হলো ১১৮টি আসন।

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজনীতিতে নামার ঘোষণা দিয়ে বিজয় জানিয়েছিলেন, এটি তার কাছে কোনো শখের কাজ নয় বরং জনগণের সেবা করার একটি ‘মিশন’। অভিনয়ের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে প্রথমবার নির্বাচনী ময়দানে নেমেই তিনি রাজ্যের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছেন।

    বিজয়ের এই আকস্মিক উত্থানকে বিশ্লেষকরা তামিল রাজনীতির একটি নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখছেন। ইশতেহারে তরুণ, নারী ও মৎস্যজীবীদের জন্য বিশেষ সুবিধার প্রতিশ্রুতি বিজয়ের এই সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত বিজয়ের ‘হুইসেল’ বিপ্লব তামিলনাড়ুর মসনদ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে কি না, তা নিয়ে এখন পুরো ভারতে চলছে ব্যাপক উত্তেজনা।

  • মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আটকে দিল চীন, জ্বালানি আমদানিতে অনড় অবস্থান

    মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আটকে দিল চীন, জ্বালানি আমদানিতে অনড় অবস্থান

    ইরান থেকে তেল আমদানির অভিযোগ চীনের পাঁচটি বেসরকারি তেল শোধনাগারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারির ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ অ্যাখ্যা দিয়ে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষায় পাল্টা আইনি আদেশ জারি করেছে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

     

    রবিবার (৩ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।

     

     

    প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাসে মার্কিন অর্থ দপ্তর চীনের পাঁচটি তেল শোধনাগার প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠান ইরান থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল কিনে ইরানি সামরিক বাহিনীকে কয়েক শ’ কোটি ডলারের রাজস্ব জোগাতে সহায়তা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে চলে যায় এবং এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ব্যবসা করা যে কাউকে শাস্তি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

     

    শনিবার (২ মে) চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা একটি ‘প্রতিরোধমূলক আদেশ’ জারি করেছে। এই আদেশ অনুযায়ী, মার্কিন এই নিষেধাজ্ঞা চীনে স্বীকৃত হবে না এবং কোনো প্রতিষ্ঠান এটি মেনে চলতে বাধ্য নয়। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, মার্কিন এই একতরফা পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং বিশ্ব রাজনীতির মৌলিক রীতির পরিপন্থি। বেইজিং-এর মতে, জাতিসংঘের অনুমোদন ছাড়া এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা সার্বভৌম দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।

    চীনের এই আদেশের ফলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে সুরক্ষা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- হেংলি পেট্রোকেমিক্যাল (ডালিয়ান) রিফাইনারি, শানডং জিনচেং পেট্রোকেমিক্যাল গ্রুপ, হেবেই সিনহাই কেমিক্যাল গ্রুপ, শৌগুয়াং লুকিং পেট্রোকেমিক্যাল এবং শানডং শেংক্সিং কেমিক্যাল।

     

    আল-জাজিরার প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, চীন তাদের প্রয়োজনীয় তেলের অর্ধেকেরও বেশি মধ্যপ্রাচ্য থেকে সংগ্রহ করে, যার একটি বড় অংশ আসে ইরান থেকে। তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘কেপলার’-এর মতে, ২০২৫ সালে ইরান যত তেল রপ্তানি করেছে তার ৮০ শতাংশেরও বেশি কিনেছে চীন।

    চীনের এই তেল শোধনাগার প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয় এবং এগুলো সিনোপেক-এর মতো রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশাল তেল কোম্পানিগুলোর তুলনায় সাধারণত আকারে ছোট। বড় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের তুলনায় এই ছোট শোধনাগারগুলোই ইরান, রাশিয়া এবং ভেনেজুয়েলার মতো দেশ থেকে ছাড়ে তেল সংগ্রহ করে চীনের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে।

     

    চীনের মোট শোধনাগার সক্ষমতার এক-চতুর্থাংশই এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোর দখলে। এসব প্রতিষ্ঠান খুব সামান্য লাভে কাজ করে এবং সাম্প্রতিক সময়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাওয়ায় এগুলো বেশ চাপের মধ্যে রয়েছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এই শোধনাগারগুলো অতিরিক্ত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, বিশেষ করে তাদের উৎপাদিত পরিশোধিত পণ্যগুলো সঠিক উৎপত্তিস্থল বা অরিজিনাল মার্কিং ব্যবহার করে বিক্রি করার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে।

  • বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা

    বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা

    ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ঘিরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে সার সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সারের চালান কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে ফসলের উৎপাদন ভয়াবহ মাত্রায় কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সারের উচ্চমূল্য এবং ফসলের ফলন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। আর এর প্রভাব সরাসরি খাদ্যপণ্যের দামের ওপর পড়তে পারে।

    কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার সঙ্গে আলাপকালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরিও ওই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। কারণ আমরা ফসল রোপণের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছি।

    তিনি বলেন, এশিয়ার কিছু দেশে ইতোমধ্যে বীজ বপনের মৌসুম পেরিয়ে গেছে। এফএওর এই প্রধান বলেন, এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের মতো বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো এমন সব ফসল চাষের দিকে ঝুঁকতে পারে; যা বেশি নাইট্রোজেন ধরে রাখতে পারে। অর্থাৎ তারা গম ও ভুট্টা চাষ থেকে সয়াবিন চাষের দিকে সরে যেতে পারে।

    ‌‌‘‘অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় কিছু কৃষক জৈব জ্বালানি উৎপাদনের দিকেও ঝুঁকে পড়তে পারেন।’’

    তোরিও বলেন, গম ও সয়াবিনের দাম ইতোমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। বছরের দ্বিতীয়ার্ধজুড়ে পরিস্থিতির আরও পরিবর্তন হবে এবং আমরা আশা করছি যে আগামী বছর পণ্যমূল্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে।

    তিনি বলেন, আমরা উচ্চ পণ্যমূল্য এবং উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা করছি। কারণ আমরা যে খাবার গ্রহণ করি তা কেবল কাঁচামাল নয়… এর সঙ্গে জ্বালানির দামও জড়িত।

    সতর্ক করে দিয়ে এফএওর এই প্রধান বলেন, আমরা বারবার বলছি, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এই সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। ঘড়ির কাঁটা যত ঘুরছে এবং দিন যত অতিবাহিত হচ্ছে, পরিস্থিতির তত অবনতি ঘটছে।

    সূত্র: আল জাজিরা।