Category: খেলাধুলা

  • মাহমুদউল্লাহ মেন্টর হচ্ছেন যুবদলের, এইচপিতে রাজ্জাক

    মাহমুদউল্লাহ মেন্টর হচ্ছেন যুবদলের, এইচপিতে রাজ্জাক

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই বলেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কেবল ঘরোয়া ক্রিকেটেই রয়েছে তার উপস্থিতি। খেলার ফাকে নতুন দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন তিনি। অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে সাবেক জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই মাহমুদউল্লাহকে যুবদলে যুক্ত করা হচ্ছে। ২০২৮ যুব বিশ্বকাপ বসবে বাংলাদেশে। সেই পর্যন্ত যুব দলের মেন্টর থাকবেন মাহমুদউল্লাহ।

    পাশাপাশি আরেক সাবেক ক্রিকেটার, নির্বাচক ও পরিচালক আব্দুর রাজ্জাককে এইচপির স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে যুক্ত করার পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে বিসিবি। খেলা ছাড়ার পর আব্দুর রাজ্জাক নির্বাচক হয়েছিলেন। নির্বাচক পদ থেকে পদত‌্যাগ করে বিসিবি পরিচালক হয়েছিলেন তিনি। পরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বোর্ড বাতিল করায় পদ হারান রাজ্জাক। এরই মধ‌্যে লেভেল-৩ কোর্স শেষ করেছেন তিনি। তাকে এইচপি ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।

  • ডিএলএসের ছোঁয়ায় শেষ হাসি ম্লান

    ডিএলএসের ছোঁয়ায় শেষ হাসি ম্লান

    বৃষ্টি ম‌্যাচে প্রভাব রাখতে পারে তা আগে থেকেই ধারণা ছিল দুই দলের। তাইতো বিকল্প পরিকল্পনা ছিল দুই দলেরই। কিন্তু বাংলাদেশ যেভাবে খেলল তাতে মনেই হলো না ম‌্যাচটায় বাংলাদেশ টিকে আছে। বৃষ্টি স্রেফ এলোমেলো করে দিল স্বাগতিকদের সিরিজ জয়ের স্বপ্ন।

     

    গুমোট আবহওয়ায় টস জয় মানেই অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। ভাগ্য এদিন নিউ জিল‌্যান্ডের পক্ষে। নিক কেলি টস জিতে বাংলাদেশকে ব‌্যাটিংয়ে পাঠালেন। ব‌্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা একেবারেই মন্দ বাংলাদেশের। ৩৫ রান তুলতে নেই ৩ উইকেট। এরপর বৃষ্টির বাগড়া। সেই বৃষ্টিতেই তছনছ সব। পরে বাংলাদেশ লড়াইয়ের চেষ্টা করেও পারেনি।

     

    ১৫ ওভারে নেমে আসা ম‌্যাচে বাংলাদেশ ১৪.২ ওভারে অলআউট মাত্র ১০২ রানে। শেষ ২৫ বলে মাত্র ১৬ রান তুলতে হারায় ৬ উইকেট।

    স্বল্প সেই পুঁজি নিয়ে পেসার শরিফুল ইসলাম আগুণ ঝরালেন। ২৫ রানে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। এরপর অধিনায়ক নিক কেলিকে বোল্ড করলেন স্পিনার মাহেদী। শুরুর লড়াইয়ে বড় আশায় বুক বাঁধছিল বাংলাদেশ। স্টেডিয়ামের প্রায় ১৮ হাজার দর্শকও সেই একই আশাতে। কিন্তু বেভন জ‌্যাকবস পাঁচে নেমে লণ্ডভণ্ড করে দিলেন সব। ৩১ বলে ৬২ রান করলেন ৫ চার ও ৩ ছক্কায়। তাতে বাংলাদেশের হাত থেকে বেরিয়ে যায় সিরিজ নির্ধারণী ম‌্যাচ।

     

    ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে নিউ জিল‌্যান্ড ৬ উইকেটে ম‌্যাচ জিতে ১-১ সমতায় শেষ করলো টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ম‌্যাচসেরা হয়েছেন জ‌্যাকবস। আর ৮৪ রান নিয়ে সিরিজ সেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়।

    বৃষ্টির আগে-পরে ব‌্যাটিং ব‌্যর্থতায় বাংলাদেশ সিরিজ হারিয়েছে। ২ চারে ১৬ রান করে সাইফ আউট হন লেনক্সের বলে এগিয়ে এসে ছক্কা উড়াতে চেয়ে। তানজিদ ১০ বলে ৫ রানের বেশি করতে পারেননি। লিটন আশা দিয়েছিলেন বড় কিছু করে দেখাবেন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করেন। কিন্তু বাংলাদেশের অধিনায়ককে থেমে যেতে হয় সেখানেই।

     

    এরপর বৃষ্টিতে বাংলাদেশের স্বপ্ন ধূলিষাৎ হয়ে যায়। তাওহীদের ৩৩ রান বাদে বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। উইকেটের মিছিলে পুরো ইনিংস ব্যাটিংও করতে পারেননি। তাতে অল্পরানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের স্বপ্ন। নিউ জিল‌্যান্ডের হয়ে পেসার জস ক্লার্কসন ৯ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন নাথান স্মিথ ও বেন সিয়ার্স।

    শরিফুল বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। নিজের প্রথম ওভারে পান জোড়া সাফল‌্য। উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান কেটেন ক্লার্ক (১) ও ডেন ক্লেভারকে (১)। পরের ওভারে ফিরে টম রবিনসনকে (২৩) বোল্ড করেন বাঁহাতি পেসার। মনে হচ্ছিল নিউ জিল্যান্ড তখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু ম‌্যাচটা যেহেতু বাংলাদেশের ছিল না তাই কেউ না কেউ লড়াই করবেই। নিউ জিল‌্যান্ডের ত্রাতা হয়ে আসলেন জ‌্যাকবস। প্রতি আক্রমণে গিয়ে ২২ গজকে রানের ফোয়ারা বানিয়ে ছাড়লেন। ৫ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি ছিল পয়সা উসুলের। তাকে সঙ্গ দিয়ে ডেন ফক্সক্রফট ১৫ বলে ১৫ রান করেন। ১১.৪ ওভারেই জয় ছিনিয়ে নেয় তারা।

     

    ওয়ানডে সিরিজ হারানোর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করে সফরের শেষটা রাঙাল নিউ জিল‌্যান্ড। এ জয়ে নিশ্চিতভাবেই তাদের আত্মবিশ্বাসে জোয়ার পাবে। অন‌্যদিকে ভালো অবস্থানে থেকেও সিরিজ হারিয়ে নিশ্চিতভাবেই হতাশায় ডুবে থাকবে বাংলাদেশ।

  • পিএসএলে শিরোপার লড়াই আজ: জালমির অভিজ্ঞতা বনাম কিংসম্যানের স্বপ্ন

    পিএসএলে শিরোপার লড়াই আজ: জালমির অভিজ্ঞতা বনাম কিংসম্যানের স্বপ্ন

    লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আজ রবিবার রাতেই পর্দা নামছে এবারের পাকিস্তান সুপার লিগের জমজমাট আসরের। ৪৪ ম্যাচের দীর্ঘ লড়াই শেষে ফাইনালে মুখোমুখি হায়দরাবাদ কিংসম্যান ও পেশোয়ার জালমি। একদিকে প্রথম আসরেই ইতিহাস গড়ার হাতছানি, অন্যদিকে পুরনো গৌরব ফেরানোর লক্ষ্য।

     

    এই মৌসুমে লিগে আর্থিক কাঠামোতেও এসেছে পরিবর্তন। চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ লাখ ডলার, রানার্সআপ ৩ লাখ ডলার। আর খেলোয়াড় তৈরিতে সেরা ফ্র্যাঞ্চাইজি পাবে ২ লাখ ডলার। খেলোয়াড়দের জন্য আলাদাভাবে রাখা হয়েছে ৫ লাখ ডলারের পুরস্কারভান্ডার। যা লিগের পেশাদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

     

     

    পেশোয়ার জালমি পুরো আসরজুড়ে ছিল সবচেয়ে স্থিতিশীল দলগুলোর একটি। অধিনায়ক বাবর আজম সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে করেছেন ৫৮৮ রান। যা তাকে আসরের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বানিয়েছে। তার পাশে সমান তালে পারফর্ম করেছেন কুশল মেন্ডিস, যার সংগ্রহ ৫৪১ রান। বল হাতে দাপট দেখিয়েছেন সুফিয়ান মোকিম। ২১ উইকেট নিয়ে তিনি জালমির বোলিং আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু।

     

    ১০ ম্যাচে ৮ জয়, তার মধ্যে টানা ৭ ম্যাচ জয়ের দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা; এই ছন্দ নিয়েই ফাইনালে উঠেছে জালমি। কোয়ালিফায়ারে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডকে ৭০ রানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে তারা। উপরন্তু, গতিময় পেসার নাহিদ রানা দলে ফেরায় শক্তি আরও বেড়েছে। যিনি মাত্র ৪ ম্যাচেই ৭ উইকেট নিয়েছেন।

    অন্যদিকে, হায়দরাবাদ কিংসম্যানের গল্পটা যেন পুরোপুরি নাটকীয়। শুরুটা হয়েছিল দুঃস্বপ্নের মতো। টানা ৩ হারের পর জালমির বিপক্ষে শেষ বলে হার। মোট ৪ ম্যাচে পরাজয়। কিন্তু সেখান থেকেই ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। টানা ৪ জয়ে ফিরে আসে প্রতিযোগিতায়। পরে শেষ লিগ ম্যাচে ১০৮ রানের বড় জয়ে নেট রানরেটে এগিয়ে গিয়ে পেছনে ফেলে দেয় লাহোরকে।

     

    অধিনায়ক মার্নাস লাবুশেন দলের এই যাত্রাকে দেখছেন ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসের ফল হিসেবে। তার ভাষায়, দলটি ওঠানামার মধ্য দিয়েই নিজেদের শক্তি খুঁজে পেয়েছে।

    নকআউটে এসে আরও চমক দেখায় কিংসম্যান। এলিমিনেটরে মুলতানকে হারিয়ে, পরে ইসলামাবাদের বিপক্ষে ২ রানের রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়ে নিশ্চিত করে ফাইনাল। এই ধাক্কা সামলে ওঠার মানসিক শক্তিই এখন তাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ।

     

    অভিজ্ঞতা বনাম গতি- কার হাতে ট্রফি?
    একদিকে জালমির ধারাবাহিক পারফরম্যান্স ও অভিজ্ঞতা, অন্যদিকে কিংসম্যানের লড়াকু মনোভাব ও গতি; সব মিলিয়ে ফাইনাল হতে যাচ্ছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। দর্শকে ভরা স্টেডিয়ামে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে শুরু হবে মহারণ।

    শেষ পর্যন্ত কে হাসবে শেষ হাসি- অভিজ্ঞ জালমি, নাকি স্বপ্ন দেখা নবাগত কিংসম্যান; তার উত্তর মিলবে আজ রাতেই।

  • শিরোপা এখন হাতের মুঠোয় বার্সেলোনার

    শিরোপা এখন হাতের মুঠোয় বার্সেলোনার

    স্প্যানিশ লিগের শিরোপা লড়াই এখন কার্যত একপেশে। শনিবার রাতে বার্সেলোনা শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ওসাসুনাকে ২-১ গোলে হারিয়ে শিরোপার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

     

    ম্যাচের বড় সময় জুড়েই গোলশূন্য ছিল লড়াই। তবে শেষ ১০ মিনিটে বদলে যায় পুরো দৃশ্যপট। ৮১ মিনিটে বদলি নামা মার্কাস রাশফোর্ড ডান দিক থেকে নিখুঁত ক্রস তুলে দেন। আর সেই বল হেডে জালে জড়িয়ে দেন রবার্ট লেভানডোভস্কি। গোলটি যেন জমে থাকা চাপ এক মুহূর্তেই ভেঙে দেয়।

     

     

    এরপর মাত্র ৫ মিনিটের ব্যবধানে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফেরান তোরেস। যদিও ম্যাচের ৮৯ মিনিটে রাউল গার্সিয়া একটি গোল শোধ করেন। তবু তাতে ফল বদলায়নি। ৩ পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সা।

     

    এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ পয়েন্টে। হাতে আছে আর মাত্র ৪ ম্যাচ। অর্থাৎ, হিসাব এখন পরিষ্কার। রিয়াল যদি পরের ম্যাচে এস্পানিওলের বিপক্ষে জয় না পায়, তাহলে এই সপ্তাহেই শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যাবে বার্সেলোনার।

    আর যদি রিয়াল জয় পায়, তাহলে শিরোপা নির্ধারণ গড়াবে আরও এক সপ্তাহ। যেখানে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মুখোমুখি হবে এল ক্লাসিকোতে। সেই ম্যাচ হতে পারে মৌসুমের সবচেয়ে বড় নির্ধারণী লড়াই।

  • তিন মৌসুম পর বুন্দেসলিগায় ফিরল ৭ বারের জার্মান চ্যাম্পিয়নরা

    তিন মৌসুম পর বুন্দেসলিগায় ফিরল ৭ বারের জার্মান চ্যাম্পিয়নরা

    জার্মানির সর্বোচ্চ স্তরের ক্লাব প্রতিযোগিতা বুন্দেস লিগায় তিন মৌসুম খেলতে পারেনি শালকে। গতকাল (শনিবার) দ্বিতীয় স্তরের বুন্দেস লিগার শীর্ষস্থান পাকাপোক্ত করার মাধ্যমে তারা মূল প্রতিযোগিতায় ফিরেছে। শালকে এদিন ফরচুনা ডুসেলডর্ফকে হারিয়েছে ১-০ গোলে। যদিও লিগে দলটির আরও তিন ম্যাচ বাকি, তবে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষেও শালকে টেবিলের দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করেছে। 

    ম্যাচের ১৩তম মিনিটে একমাত্র গোলটি করেছেন অধিনায়ক কেনান কারামান। এই জয়ে জার্মানির দ্বিতীয় বিভাগের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা হ্যানোভারের চেয়ে শালকে ১০ পয়েন্ট এগিয়ে গেল। যেখানে হ্যানোভারের হাতে এখনও তিনটি ম্যাচ বাকি এবং শালকের রয়েছে দুটি। নিয়ম অনুযায়ী লিগের শীর্ষ দুই দল সরাসরি শীর্ষ বিভাগে উন্নীত হবে।

    জয়ের নায়ক কারামান ম্যাচ শেষে প্রতিক্রিয়া জানালেন এভাবে, ‘এটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। ক্লাব হিসেবে, শহর হিসেবে, আমাদের চারপাশের সবার জন্য আমরা অনেকদিন ধরে এই মুহূর্তের অপেক্ষায় ছিলাম। ঘরের মাঠে শেষ ধাপটা পার করতে পেরে আমি খুবই খুশি, কারণ সমর্থকরা এটা প্রাপ্য।’ এই ম্যাচে সমর্থকদের মাঠে না নামার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল এবং নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন ছিল শত শত স্টুয়ার্ড। ফলে সমর্থকরা গ্যালারিতেই আতশবাজি, গান আর উদ্‌যাপনে মেতে ওঠে।

     

    গত গ্রীষ্মে ক্রীড়া পরিচালক ফ্র্যাঙ্ক ব্যোমান মিরন মুসলিচকে নিয়োগ দেওয়ার পর শালকে ঘুরে দাঁড়ায়। ৪৩ বছর বয়সী মুসলিচ সংকটে থাকা দলকে উন্নীত হওয়ার প্রাপ্য দলে পরিণত করেন। শালকে এখন দ্বিতীয় বিভাগের শিরোপা জয়ের দৌড়েও ভালো অবস্থানে রয়েছে, যেখানে দ্বিতীয় স্থানে আছে প্যাডারবর্ন।

    এ ছাড়া গত জানুয়ারিতে জেকোর চমকপ্রদ অন্তর্ভুক্তি শালকের এই মৌসুমের সাফল্যে বড় ভূমিকা রাখে। ৪০ বছর বয়সী এই বসনিয়ান ফরোয়ার্ড লিগে ৯ ম্যাচে ৬টি গোল করেন। তবে ৩১ মার্চ ইতালির বিপক্ষে বিশ্বকাপ প্লে-অফ ম্যাচে কাঁধে চোট পাওয়ার পর থেকে তিনি মাঠের বাইরে ছিলেন। জেকোর অনুপস্থিতিতে কাঁধে দায়িত্ব তুলে নেয় অন্য সতীর্থরা। বিশেষ করে মালির ফরোয়ার্ড মুসা সিলা শেষ ছয় ম্যাচে ৩টি-সহ মোট ৭ গোল করেছেন।

    গত পাঁচ বছরে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার দ্বিতীয় বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতায় উঠল শালকে। ২০২১ সালে বুন্দেসলিগা থেকে অবনমনের পর তারা পরের মৌসুমেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিরে আসে, কিন্তু ২০২৩ সালে আবার অবনমিত হয়। ২০২৬-২৭ মৌসুমে আবারও তারা শীর্ষ লিগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

  • ৩ গোলে লিড নিয়েও হারল মেসির মায়ামি

    ৩ গোলে লিড নিয়েও হারল মেসির মায়ামি

    সবকিছু যেন ঠিক পথেই এগোচ্ছিল। নতুন স্টেডিয়ামে প্রথম জয় পাওয়ার স্বপ্ন প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছিল ইন্টার মায়ামি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচই হয়ে উঠল এক দুঃস্বপ্ন। যেখানে ৩-০ ব্যবধানও নিরাপদ থাকল না। আর ইতিহাস লিখল প্রতিপক্ষ অরল্যান্ডো সিটি।

     

    ম্যাচের শুরুটা ছিল পুরোপুরি মিয়ামির দখলে। লিওনেল মেসি নিজের শততম ক্লাব ম্যাচে একটি গোলের সঙ্গে যোগ করেন ২টি সহায়তা। আর তার ছন্দে ভর করে দ্রুত ৩-০ লিড নেয় স্বাগতিকরা। ইয়ান ফ্রেই ও তেলাস্কো সেগোভিয়ার গোল যেন জয় নিশ্চিতই করে দিয়েছিল।

    কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপট পুরো বদলে যায়। একাই ম্যাচের গতিপথ ঘুরিয়ে দেন মার্টিন ওহেদা, যিনি করেন দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক। মিয়ামির রক্ষণভাগকে একের পর এক আঘাত করে তিনি দলকে ফিরিয়ে আনেন সমতায়। এরপর যোগ করা সময়ে ৯৩তম মিনিটে জয়সূচক গোল করেন টাইরিস স্পাইসার। আর তাতেই সম্পূর্ণ হয় অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন।

     

    ফলাফল ৪-৩। যা শুধু একটি জয় নয়, বরং লিগের ইতিহাসে বিরল কীর্তি। ৩-০ ব্যবধান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে জেতা দল হিসেবে অরল্যান্ডো এখন ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় দল।

    এই হার মিয়ামির জন্য আরও হতাশার। কারণ, নতুন স্টেডিয়ামে এখনো জয়ের মুখ দেখেনি তারা ৪ ম্যাচে ১ হার ও ৩ ড্র। অথচ এর আগে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১ ম্যাচে অপরাজিত ছিল দলটি, লিগেও টানা ৯ ম্যাচ হারেনি।

     

    ম্যাচ শেষে হতাশা লুকাননি খেলোয়াড়রা। জানা গেছে, ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের উদ্দেশে এই ফলাফলকে “গ্রহণযোগ্য নয়” বলে মন্তব্য করেছেন মেসি।

    যে রাতে মিয়ামির জন্য ইতিহাস গড়ার কথা ছিল। সেই রাতেই ইতিহাস গড়ে দিল অরল্যান্ডো। আর ফুটবল আবারও মনে করিয়ে দিল, শেষ বাঁশি বাজার আগে কিছুই নিশ্চিত নয়।