Author: Barishal365_admin_01

  • পুত্রকে জেমসের ড্রামস বাজানো শেখানোর ভিডিও ভাইরাল

    পুত্রকে জেমসের ড্রামস বাজানো শেখানোর ভিডিও ভাইরাল

    প্রায় এক বছর বয়সি পুত্র জিবরান আনামকে কোলে নিয়ে বসে আছেন নগরবাউল জেমস। তাদের সামনে রাখা বাদ্যযন্ত্র ড্রামস। ছোট্ট জিবরানের দুই হাতে ড্রামসের দুটো স্টিক। জিবরান নিজে থেকে স্টিক দিয়ে ড্রামসে আঘাত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।

     

    এরপর জেমস ছেলের হাত ধরে স্টিক দিয়ে ড্রামসে আঘাত করেন। খানিকটা বাজিও দেখান কিংবদন্তি এই তারকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এমন দৃশ্য দেখা যায়। ছেলের সঙ্গে তারকা বাবার এমন মিষ্টি মুহূর্ত দেখে প্রশংসায় ভাসছেন নেটিজেনরা।

     

    একজন লেখেন, “এ তো রক্তের সঙ্গে রক্তের টান।” অন্যজন লেখেন, “রকের উত্তরাধিকার যেন আগেই তৈরি হয়ে গেছে।” কেউ লিখেছেন, “রকস্টারের ছেলে, খেলনার মতোই দেখছে ড্রামসকে।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভাইরাল ভিডিওর কমেন্ট বক্সে শোভা পাচ্ছে।

     

    ১৯৯১ সালে অভিনেত্রী রথির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন জেমস। ২০০৩ সালে এ সংসার ভেঙে যায়। ২০০০ সালে জেমসের সঙ্গে পরিচয় হয় বেনজীর সাজ্জাদের; পরবর্তীতে আমেরিকায় গিয়ে তারা বিয়ে করেন। ২০১৪ সালে এই সংসারেরও ইতি ঘটে।  প্রথম সংসারে জেমসের একটি পুত্র ও এক কন্যাসন্তান রয়েছে। দ্বিতীয় সংসারে রয়েছে একটি কন্যাসন্তান।

    ২০২৩ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক নামিয়া আমিনের সঙ্গে জেমসের প্রথম পরিচয়। সেই পরিচয় থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব, পরে প্রণয়। ২০২৪ সালে বিয়ে করেন তারা। ২০২৫ সালের ৮ জুন জেমস-নামিয়া দম্পতির কোলজুড়ে আসে একটি পুত্রসন্তান। এ সন্তানের নাম রাখা হয়েছে জিবরান আনাম। তার বয়স এখনো এক বছর পূর্ণ হয়নি।

  • ঈদে আসছে আদর-পূজার ‘নাকফুলের কাব্য’

    ঈদে আসছে আদর-পূজার ‘নাকফুলের কাব্য’

    আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘নাকফুলের কাব্য’। আলোক হাসান পরিচালিত এই সিনেমায় প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন আদর আজাদ ও পূজা চেরি।

     

    বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমাটির গল্প ও সংলাপ লিখেছেন ফেরারী ফরহাদ। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, সমাজের রক্ষক বা মোড়লদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এক অমর প্রেম ও বিরহের গল্প উঠে এসেছে সিনেমাটিতে।

    যদিও এটি আদর-পূজা জুটির প্রথম কাজ হিসেবে প্রচারিত হচ্ছে, এর আগে তাদের অভিনীত ‘লিপস্টিক’ সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে।

     

    ২০২২ সালে শ্রীমঙ্গলে শুরু হয় সিনেমাটির শুটিং, যেখানে টানা ২০ দিন চিত্রধারণ চলে। পরবর্তীতে ঢাকায় বাকি কাজ সম্পন্ন করা হয়। এতে আরও অভিনয় করেন গাজী রাকায়েত, লুৎফর রহমান জর্জ, আলী রাজ, এল আর খান সীমান্ত ও শিখা মৌ।

    প্রেম, সামাজিক বাধা ও মানবিক টানাপোড়েনের গল্পে নির্মিত ‘নাকফুলের কাব্য’ ঈদে দর্শকদের জন্য একটি আবেগঘন অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে— এমনটাই আশা নির্মাতাদের।

  • কলকাতায় দেখা যাবে বুবলীর ‘ফ্ল্যাশব্যাক’

    কলকাতায় দেখা যাবে বুবলীর ‘ফ্ল্যাশব্যাক’

    দুই বছর আগে ‘ফ্ল্যাশব্যাক’ সিনেমায় অভিনয় করেন শবনম বুবলী। দীর্ঘ অপেক্ষার পর এবার ওপার বাংলায় মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি।

    জানা গেছে, আগামী মে মাসেই পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিনেমাটি। পাশাপাশি বাংলাদেশেও সিনেমাটির মুক্তির পরিকল্পনা চলছে। এই সিনেমার মাধ্যমে টলিউডে অভিষেক হবে ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা শবনম বুবলীর। এটি পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশের নির্মাতা রাশেদ রাহা।

    ২০২৪ সালে শুটিং শেষ হওয়ার পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল ছিল—কবে বড়পর্দায় আসবে সিনেমাটি। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।

    নির্মাতা রাশেদ রাহা জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা শেষে খুব শিগগির আনুষ্ঠানিক মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হবে। এরপর বাংলাদেশে মুক্তির প্রক্রিয়াও শুরু হবে।

    থ্রিলারধর্মী এই সিনেমায় বুবলীর সঙ্গে অভিনয় করেছেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় নির্মাতা-অভিনেতা কৌশিক গাঙ্গুলি এবং অভিনেতা সৌরভ দাস। চিত্রনাট্য লিখেছেন খায়রুল বাসার নির্ঝর।

    এ সিনেমায় বুবলীর চরিত্রের নাম শ্বেতা, যে একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা। কৌশিক গাঙ্গুলিকে দেখা যাবে অঞ্জন চরিত্রে এবং সৌরভ দাস অভিনয় করেছেন ডিকে চরিত্রে। ভিন্ন জীবনধারার তিন মানুষের গল্প একসময় গিয়ে মিশে যায় পাহাড়ি এক জনপদে, সেখান থেকেই গল্প নেয় নতুন মোড়।

    এদিকে, দেশে আগামী ৮ মে মুক্তি পাচ্ছে বুবলী অভিনীত সিনেমা ‘সর্দারবাড়ির খেলা’। লোকজ ঐতিহ্য লাঠিখেলাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন জিয়াউল রোশান। নির্মাতা রাখাল সবুজ পরিচালিত সিনেমাটিতে আরো অভিনয় করেছেন—শহীদুজ্জামান সেলিম, আজাদ আবুল কালাম প্রমুখ।

    ‘সর্দারবাড়ির খেলা’ সিনেমার প্রচারে বুবলীকে দেখা না যাওয়ায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। চলতি বছরের শুরু থেকেই গুঞ্জন চলছে, দ্বিতীয়বারের মতো মা হতে চলেছেন তিনি। যদিও এ বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেননি এই অভিনেত্রী।

  • দোয়া চাইলেন অসুস্থ তানিয়া বৃষ্টি

    দোয়া চাইলেন অসুস্থ তানিয়া বৃষ্টি

    কিছুদিন আগে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। প্রথমে বাংলাদেশে অস্ত্রোপচার হয় এবং অল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো ভারতে তার অস্ত্রোপচার হয়। বর্তমানে চেন্নাইয়ের এমজিএম হাসপাতালের অধীনে তার চিকিৎসা চলছে।

     

    তানিয়া বৃষ্টি এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন। শনিবার (২ মে), এ অভিনেত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুকে তার অ্যাডমিনের পক্ষ থেকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়েছে। তাতে জানানো হয়, তানিয়া বৃষ্টি কিছুটা অসুস্থ, সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন এই অভিনেত্রী।

     

     

    লেখার শুরুতে বলা হয়েছে, “আসসালামু আলাইকুম। আমাদের সবার প্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি আপু শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থতার মধ্যে আছেন। তবে চিন্তার তেমন কিছু নেই, তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে আছেন।”

     

    দোয়া চেয়ে এ স্ট্যাটাসে বলা হয়েছে, “তিনি তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন, যেন তিনি খুব দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসতে পারেন।”

    গত মাসের শুরুতে তানিয়া বৃষ্টির তৃতীয় অস্ত্রোপচারের খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখনো এটি সম্পন্ন হয়নি। এ বিষয়ে তানিয়া বৃষ্টি বলেছিলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আমার দ্বিতীয় সার্জারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তৃতীয় সার্জারিটিও করতে হবে, তবে এখনই নয়—নিউরোসার্জন প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কয়েক মাস সময় লাগবে।”

     

    মুন্সিগঞ্জের মেয়ে তানিয়া বৃষ্টি ২০১২ সালে একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজ অঙ্গনে পা রাখেন। এরপর নাম লেখান টিভি নাটকে। তবে বিজ্ঞাপনে মডেল হয়ে নজর কাড়েন। পরবর্তীতে অভিনয়েও নিজেকে প্রমাণ করেন।

    ২০১৫ সালে ‘ঘাসফুল’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় পা রাখেন তানিয়া বৃষ্টি। এরপর বেশ কটি সিনেমায় কাজ করেন। তবে বড় পর্দার চেয়ে টিভি নাটকে অভিনয় করে অধিক খ্যাতি কুড়ান এই অভিনেত্রী।

     

    ২০১৯ সালে মুক্তি পায় তানিয়া বৃষ্টি অভিনীত ‘গোয়েন্দাগিরি’ সিনেমা। এটি তার অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা। দীর্ঘ বিরতির পর ফের বড় পর্দায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। রায়হান খানের ‘ট্রাইব্যুনাল’ সিনেমায় তার কাজের কথাও ছিল। আর এরই মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়লেন তানিয়া বৃষ্টি।

  • ঢাকাকে চাঁদাবাজ-মাদকমুক্ত করতে সাঁড়াশি অভিযান

    ঢাকাকে চাঁদাবাজ-মাদকমুক্ত করতে সাঁড়াশি অভিযান

    রাজধানীকে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও অনলাইন জুয়া চক্রমুক্ত করতে বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

     

    রবিবার (৩ মে) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।

     

    তিনি বলেন, “ঢাকা মহানগরী আমাদের সবার। এই শহরের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা, স্বস্তি ও শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রধান অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ১ মে  থেকে ডিএমপি মহানগরজুড়ে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান আরো জোরদার করা হয়েছে।”

     

    তিনি বলেন,“ সাম্প্রতিক সময়ে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্রের প্রদর্শন, অনলাইন জুয়া সংক্রান্ত অভিযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিএমপি তাৎক্ষণিকভাবে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ করে। আমাদের লক্ষ্য একটাই—অপরাধচক্রের মূল উৎপাটন, নাগরিক জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা এবং ঢাকাকে আরও নিরাপদ নগরীতে পরিণত করা।”

    তিনি জানান, চিহ্নিত অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান ও আকস্মিক ব্লক রেইড পরিচালনা গোয়েন্দা নজরদারী ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অপরাধীদের পালানোর পথ বন্ধ করা হচ্ছে।
    ভারপ্রাপ্ত ডিএমপি কমিশনার বলেন, “গত ৪৮ ঘণ্টার আমাদের উল্লেখযোগ্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৮ জন তালিকাভুক্ত এবং ৯৪ জন তালিকা বহির্ভূত চাঁদাবাজকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে চাঁদা আদায়ের খাতা, লেনদেনের তথ্য, ভিডিও ক্লিপ এবং অন্যান্য আলামত।এছাড়া, মাদক ও অস্ত্রবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং সক্রিয় মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একইসঙ্গে অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

     

    অনলাইন জুয়া পরিচালনাকারী ও ডিজিটাল প্রতারণায় জড়িত চক্রের সদস্যদের আটক করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “তাদের ব্যবহৃত মোবাইল, সার্ভার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া, এলাকাভিত্তিক নিরাপত্তা জোরদার, নাগরিকদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বসিলা ও কারওয়ান বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী ও অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।  এসব এলাকায় চাঁদাবাজি প্রতিরোধে বিশেষ মনিটরিং সেল কাজ করছে। বাজার ও জনবহুল স্থানে দৃশ্যমান পুলিশিং বৃদ্ধি করা হয়েছে, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অপরাধপ্রবণ নতুন এলাকা চিহ্নিত করে আরও পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নতুন সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং তথ্যভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
    তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্দেহজনক ব্যক্তি, চাঁদাবাজি, মাদক, জুয়া বা প্রতারণা সংক্রান্ত তথ্য নিকটস্থ থানা বা ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে জানাতে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।

     

    সংবাদ সম্মেলনে  ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস. এন. মো. নজরুল ইসলাম, ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম  উপস্থিত ছিলেন।

  • ডিসি সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ডিসি সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬ এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

     

    রবিবার (৩ মে) সকালে ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

     

     

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের নীতি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ জনগণের সঙ্গে প্রধান সেতুবন্ধন। জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে জন রায়ের প্রতিফলন ঘটে।”

     

    তিনি বলেন, “সরকার যেমন চিরস্থায়ী নয়, তেমনি জনপ্রশাসনের কোনো পদও চিরস্থায়ী নয়।” দেশে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে জনগণের দুর্ভোগ না বাড়িয়ে সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

    জানা গেছে, সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও আওতাধীন সংস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং আইন মন্ত্রণালয় বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রথম দিনের অধিবেশন শেষে ডিসিরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

     

    এর আগে শনিবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সম্মেলনের বিস্তারিত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গনি।

    মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সরকারের সরাসরি যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে প্রতি বছর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

  • যুদ্ধ পরিস্থিতি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী

    যুদ্ধ পরিস্থিতি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী

    যুদ্ধ পরিস্থিতি বর্তমান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে জনগণের ভোগান্তি না বাড়িয়ে এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

     

    রবিবার (৩ মে) সকালে ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

     

     

    ৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে সরকার যাত্রা শুরু করেছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিগত দিনে দেশ ছিল আমদানিনির্ভর। আমরা সেই নির্ভরতা কমিয়ে আনতে কাজ করছি।”

     

    ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে জনরায়ের সঠিক প্রতিফলন হয় নির্বাচনে তা প্রমাণ হয়েছে।’

    জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রতিটি পদকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে। স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।”

     

    সুশাসনকে সরকারের মূল ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দলমত নির্বিশেষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

    বাজার নিয়ন্ত্রণে ডিসিদের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইচ্ছেমতো নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো, সিন্ডিকেট ও কৃত্রিম সংকট রোধে নিয়মিত বাজার তদারকি করতে হবে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা নিয়মিত ও দৃশ্যমান করুন।”

     

    কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিভিন্ন সেক্টর চিহ্নিত করে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার কাজ শুরু করেছে।

    জুলাই সনদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনি ইশতেহার ও জুলাই সনদের প্রতিটি দফা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।”

     

    চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন চলবে আগামী ৬ মে পর্যন্ত। সম্মেলনে আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিরা অংশ নিয়েছেন।

  • মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আটকে দিল চীন, জ্বালানি আমদানিতে অনড় অবস্থান

    মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আটকে দিল চীন, জ্বালানি আমদানিতে অনড় অবস্থান

    ইরান থেকে তেল আমদানির অভিযোগ চীনের পাঁচটি বেসরকারি তেল শোধনাগারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারির ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ অ্যাখ্যা দিয়ে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষায় পাল্টা আইনি আদেশ জারি করেছে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

     

    রবিবার (৩ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।

     

     

    প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাসে মার্কিন অর্থ দপ্তর চীনের পাঁচটি তেল শোধনাগার প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠান ইরান থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল কিনে ইরানি সামরিক বাহিনীকে কয়েক শ’ কোটি ডলারের রাজস্ব জোগাতে সহায়তা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে চলে যায় এবং এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ব্যবসা করা যে কাউকে শাস্তি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

     

    শনিবার (২ মে) চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা একটি ‘প্রতিরোধমূলক আদেশ’ জারি করেছে। এই আদেশ অনুযায়ী, মার্কিন এই নিষেধাজ্ঞা চীনে স্বীকৃত হবে না এবং কোনো প্রতিষ্ঠান এটি মেনে চলতে বাধ্য নয়। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, মার্কিন এই একতরফা পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং বিশ্ব রাজনীতির মৌলিক রীতির পরিপন্থি। বেইজিং-এর মতে, জাতিসংঘের অনুমোদন ছাড়া এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা সার্বভৌম দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।

    চীনের এই আদেশের ফলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে সুরক্ষা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- হেংলি পেট্রোকেমিক্যাল (ডালিয়ান) রিফাইনারি, শানডং জিনচেং পেট্রোকেমিক্যাল গ্রুপ, হেবেই সিনহাই কেমিক্যাল গ্রুপ, শৌগুয়াং লুকিং পেট্রোকেমিক্যাল এবং শানডং শেংক্সিং কেমিক্যাল।

     

    আল-জাজিরার প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, চীন তাদের প্রয়োজনীয় তেলের অর্ধেকেরও বেশি মধ্যপ্রাচ্য থেকে সংগ্রহ করে, যার একটি বড় অংশ আসে ইরান থেকে। তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘কেপলার’-এর মতে, ২০২৫ সালে ইরান যত তেল রপ্তানি করেছে তার ৮০ শতাংশেরও বেশি কিনেছে চীন।

    চীনের এই তেল শোধনাগার প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয় এবং এগুলো সিনোপেক-এর মতো রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশাল তেল কোম্পানিগুলোর তুলনায় সাধারণত আকারে ছোট। বড় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের তুলনায় এই ছোট শোধনাগারগুলোই ইরান, রাশিয়া এবং ভেনেজুয়েলার মতো দেশ থেকে ছাড়ে তেল সংগ্রহ করে চীনের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে।

     

    চীনের মোট শোধনাগার সক্ষমতার এক-চতুর্থাংশই এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোর দখলে। এসব প্রতিষ্ঠান খুব সামান্য লাভে কাজ করে এবং সাম্প্রতিক সময়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাওয়ায় এগুলো বেশ চাপের মধ্যে রয়েছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এই শোধনাগারগুলো অতিরিক্ত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, বিশেষ করে তাদের উৎপাদিত পরিশোধিত পণ্যগুলো সঠিক উৎপত্তিস্থল বা অরিজিনাল মার্কিং ব্যবহার করে বিক্রি করার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে।

  • বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা

    বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা

    ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ঘিরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে সার সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সারের চালান কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে ফসলের উৎপাদন ভয়াবহ মাত্রায় কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সারের উচ্চমূল্য এবং ফসলের ফলন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। আর এর প্রভাব সরাসরি খাদ্যপণ্যের দামের ওপর পড়তে পারে।

    কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার সঙ্গে আলাপকালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরিও ওই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। কারণ আমরা ফসল রোপণের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছি।

    তিনি বলেন, এশিয়ার কিছু দেশে ইতোমধ্যে বীজ বপনের মৌসুম পেরিয়ে গেছে। এফএওর এই প্রধান বলেন, এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের মতো বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো এমন সব ফসল চাষের দিকে ঝুঁকতে পারে; যা বেশি নাইট্রোজেন ধরে রাখতে পারে। অর্থাৎ তারা গম ও ভুট্টা চাষ থেকে সয়াবিন চাষের দিকে সরে যেতে পারে।

    ‌‌‘‘অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় কিছু কৃষক জৈব জ্বালানি উৎপাদনের দিকেও ঝুঁকে পড়তে পারেন।’’

    তোরিও বলেন, গম ও সয়াবিনের দাম ইতোমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। বছরের দ্বিতীয়ার্ধজুড়ে পরিস্থিতির আরও পরিবর্তন হবে এবং আমরা আশা করছি যে আগামী বছর পণ্যমূল্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে।

    তিনি বলেন, আমরা উচ্চ পণ্যমূল্য এবং উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা করছি। কারণ আমরা যে খাবার গ্রহণ করি তা কেবল কাঁচামাল নয়… এর সঙ্গে জ্বালানির দামও জড়িত।

    সতর্ক করে দিয়ে এফএওর এই প্রধান বলেন, আমরা বারবার বলছি, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এই সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। ঘড়ির কাঁটা যত ঘুরছে এবং দিন যত অতিবাহিত হচ্ছে, পরিস্থিতির তত অবনতি ঘটছে।

    সূত্র: আল জাজিরা।

  • ন্যায়বিচার চাই, প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না : মঈন খান

    ন্যায়বিচার চাই, প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না : মঈন খান

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেছেন, আমরা ন্যায়বিচার চাই, প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে চাই না। তিনি বলেন, যখনই আমরা গণতন্ত্রের পথ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছি তখনই কোনো না কোনো আন্দোলন হয়েছে, ৭১ থেকে এখন পর্যন্ত নেতারা ভুল করেছে, কিন্তু জনগণ কোনো ভুল করে নাই। জনগণ প্রতিবাদ করে বারবার সংশোধনের পথে নিয়ে এসেছেন। ২৪-এ সেই প্রতিবাদের এনসিপি নেতৃত্ব দেয়। 

    =

    শনিবার (২ মে) এবি পার্টির ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে এক প্রতিনিধি সম্মেলন, শুভেচ্ছা বিনিময় ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    ড. মঈন খান বলেন, আজকের যারা এনসিপি তারাই কিন্তু গোল করেছেন। তাদের অর্জনে আমরা গর্বিত হয়েছি এবং যার ফলে আমরা ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পেয়েছি।

    তিনি বলেন, এবি পার্টির অগ্রযাত্রা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা হয়ে থাকবে। এবি পার্টি আজকে তাদের ২য় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এবি পার্টি গঠিত হয়েছে প্রতিবাদ থেকে। প্রতিবাদের মাধ্যমে এই দল বাংলাদেশে সামনেও ভূমিকা রাখবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে আমরা মনেপ্রাণে ধারণ করি।

    =

    এ সময় জাতীয় সংসদের হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান, এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়া, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন ও সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের মহাসচিব ড. আব্দুল কাদের, নাগরিক ঐক্যের সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ্ কায়সার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামনুল হক, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, ন্যাপের সভাপতি জেবালুর রহমান গণি, শহীদ নাফিসা মারওয়ার পিতা আবুল হোসেন, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান ও শহীদ নাঈমার আম্মা আইনুন্নাহার।

    অনুষ্ঠানে দলের সিনিয়র নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. ওহাব মিনার অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূইয়া, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, এবিএম খালিদ হাসান, ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি, মো. আলতাফ হোসাইন, আমিনুল ইসলাম এফসিএ ও শাহাদাতুল্লাহ টুটুল।